বাংলার  “বৈবাহিক জীবন” চিত্র

কন্যার বিবাহের জন্য পাত্র নির্বাচন করার সময়, আমাদের দেশের অভিভাবকেরা সাধারণত পাত্র (পুরুষ)টির শিক্ষা, আর্থিক ও সামাজিক অবস্থান বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন এবং কন্যার বিবাহ দিচ্ছেন।

সংসার জীবন শুরু করার পর,  নারীরা ধীরে-ধীরে স্বামী (পুরুষ)টির চারিত্রিক অবক্ষয়ের নানা দিক সম্পর্কে জানতে পারেন। তখন (নিজ) পিতা-মাতা ও পরিবারের মান-সম্মানের কথা চিন্তা করে, কোন উপায় না পেয়ে, স্বামী (পুরুষ)টিকে মেনে নেন।

এরপর স্বামীকে সংশোধন করার চেষ্টা শুরু করেন নারীরা। আর এই চেষ্টা করতে গিয়েই, দিনে-দিনে বাড়তে থাকে দাম্পত্য কলহ। এক পর্যায়ে নারীর উপর শুরু হয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। সম্পর্কের শেষ পরিণতি হয়, বিবাহ বিচ্ছেদ অথবা অকাল মৃত্যু। নষ্ট হয় একটি শিক্ষিত নারীর সুন্দর জীবন।

 

আমাদের কথা

বিবাহের পূর্বে পাত্রের “খোঁজ-খবর”নেওয়ার ঘাটতির কারনেই কেবল, সারা বাংলাদেশে অগনিত নারীকে সংসার জীবনে সহ্য করতে হচ্ছে, অবর্ননীয় মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন।  বিয়ের আগে তথ্য জানতে পারলে, সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহন করতে পারতো যে কোন শিক্ষিত নারী। বেঁচে যেত অসংখ্য নারীর জীবন।

সংসার জীবনে নারীকে নির্যাতন ও অনাকাঙ্খিত ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে হলে, বিবাহের পূর্বে পাত্রের সঠিক “খোঁজ-খবর”করা জরুরী। তাই, সময় নিয়ে খোঁজ-খবর করুন এবং তারপর কন্যার বিবাহ দিন।